রাজনীতি

কোভিড-১৯ মোকাবেলায় সম্মুখ যোদ্ধার ভূমিকায় ছাত্র নেতা সামসুল আলম সাদ্দাম

স্টার টোয়েন্টিফোর টিভি বিডি ডটকম :
বাংলাদেশের ইতিহাসে লেখা রয়েছে তারুণ্যের অপরিসীম ভূমিকা। তরুণ-যুবারা গুলির মুখে বুক পেতে দিয়েছিলো বলেই একটি স্বাধীন ভূ-খণ্ড পেয়েছিলাম আমরা, মুক্তিযুদ্ধের অর্ধশত বছর পর সারাবিশ্বের মত বাংলাদেশও যখন অচেনা শত্রু করোনার সঙ্গে লড়ছে, সে লড়াইয়েও অগ্রভাগে আছে তরুণরা। 
ডাক্তার, পুলিশ, সাংবাদিক, ছাত্রনেতা নানা পরিচয়ে সম্মুখ থেকে লড়ছেন তারা। এমনই একজন তরুণ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ সভাপতি সামছুল আলম সাদ্দাম। 
করোনাকালে কল্যাণমুখী নানা কর্মসূচি প্রচার প্রচারণা বিহীন করে যাচ্ছেন এ তরুণ। 
করোনা মহামারিতে সঙ্কটাপন্ন রোগীদের জন্য বিনামূল্যে জরুরি ঔষধ, খাবার সহ রুগীর সাথে যোগাযোগ যার কোনটি প্রচারণায় নিয়ে আসেননি।
ব্যক্তিগত উদ্যোগ, পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের আর্থিক সহায়তায় করোনার শুরু থেকে এ কার্যক্রমগুলো চালিয়ে আসছিলেন। 
নিজের ব্যাক্তিত নাম্বারে কেউ যোগাযোগ করলে  তাৎক্ষণিকভাবে রোগীর বাসায় সাহায্য  পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও করোনা মহামারির এ সময়টায়  দেশের বিভিন্ন  বিশ্ববিদ্যালয়ের অসহায়-দরিদ্র শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন সামছুল আলম সাদ্দাম ।
কাউকে আসতে হয়নি  উপহার রাতের অন্ধকারে চলে গেছে মানুষের দরজায়। 
এ ব্যাপারে সামছুল আলম সাদ্দাম বলেন, আমি ভালবাসার উপহার নিয়ে সংকটে পড়া শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছি। এক্ষেত্রে আমাকে সহযোগিতা করেছেন  শিক্ষক, সাংবাদিক, চাকরিজীবী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, আমার পরিবার। মোট কথা মানুষের সহযোগিতায় মানুষের কাছে খাবার পৌঁছে দিচ্ছি। তার উদ্যোগে ইতোমধ্যেই সহায়তা পেয়েছে প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থী।
রিকশা, ভ্যান, ট্রাক্টর ও টমটম চালকদেরও সহায়তা করেছেন ছাত্রলীগের এই নেতা।  
অসহায় কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষগুলোকে খাদ্যসামগ্রী দিয়ে সহায়তার ব্যাপারে তিনি বলেন ‘লকডাউনের কারণে সবকিছুই বন্ধ। বাসায় খাবার না থাকলে এসব মানুষ বের হবেনই। এর ফলে তাদের পরিবারের সদস্যরাও ভাইরাসের ঝুঁকিতে পড়বেন।
পরিবারগুলোকে বাঁচাতে হবে তাই রিকশা, সিএনজি, ভ্যান, ট্রাক্টর এবং টমটমচালক ভাইদের জন্য উদ্যোগ নেই। শুধু শিক্ষার্থী কিংবা শহরের কর্মহীন নয়-নিজ জেলা কুমিল্লাতেও অসহায়, দরিদ্র সাধারণ মানুষের পাশেও দাঁড়িয়েছেন ছাত্রলীগের এ উদীয়মান নেতা। রাজনীতির পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবাকেও নিয়েছেন ব্রত হিসেবে।  
ছাত্রলীগের এই নেতা বলেন, বর্তমানে আমরা একটি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। বৈশ্বিক এই সংকটে ছাত্রলীগ পুরোটা সময় ধরে মানুষের পাশে আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। দুঃখজনক হলেও সত্য অন্যান্য ছাত্র সংগঠনগুলাকে সেভাবে দেখা যায়নি। তবে বাম সংগঠনগুলোর মধ্যে ছাত্র ইউনিয়নের ভূমিকা ছিল প্রশংসনীয়। শুধু ছাত্র সংগঠন নয় এই মহামারিতে সবাইকে ভাই-বন্ধু হয়ে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে।